সামিট টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু, সংকট কমার আশা
ছবি: সংগৃহীত
দেশের চলমান গ্যাস সংকটে কিছুটা স্বস্তির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। শুরুতে ঘণ্টায় প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে সরবরাহ সীমিত রাখা হলেও পর্যায়ক্রমে এর পরিমাণ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সামিট টার্মিনাল থেকে সর্বোচ্চ প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে দেওয়া সম্ভব হলে চলমান সংকট অনেকটাই কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
এর আগে বৈরী আবহাওয়া ও সাগর উত্তাল থাকায় সামিটের এলএনজি টার্মিনালে থাকা কার্গো থেকে গ্যাস সরবরাহে সমস্যা দেখা দেয়। পরে কার্গো সরিয়ে নেওয়ার পর টার্মিনালটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সামিটের সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় আগে থেকেই চলমান গ্যাস সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করে। এর প্রভাব পড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পকারখানায়। পাশাপাশি গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় সিএনজি স্টেশন ও আবাসিক গ্রাহকদেরও দুর্ভোগ বাড়ে।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকায় রান্নার কাজে সমস্যায় পড়েন অনেক পরিবার। শিল্প খাতেও পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এখন সামিট টার্মিনাল থেকে সরবরাহ পুনরায় চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের পরিমাণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কতটা সময় লাগবে, তা নির্ভর করবে টার্মিনাল থেকে কত দ্রুত সরবরাহ বাড়ানো যায় তার ওপর।
জ্বালানি বিভাগের হিসাবে, সরবরাহ ধাপে ধাপে ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুটের কাছাকাছি নেওয়া সম্ভব হলে বিদ্যুৎ, শিল্প ও আবাসিক খাতে চলমান গ্যাস সংকট কমাতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।



আপনার মতামত লিখুন