গাজীপুর জেলা পরিষদের অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, 6:38 pm
গাজীপুর জেলা পরিষদের অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত

Oplus_131072

 

গাজীপুর জেলা পরিষদের সরকারি অর্থ, সম্পদ ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে উঠেছে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ।

 

গত ৬ মে একটি জাতীয় দৈনিকের মাল্টিমিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ‘নজরুলের তেলেসমাতি’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জেলা পরিষদের এফডিআরসহ বিভিন্ন অনিয়মের তথ্যচিত্র তুলে ধরা হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ১১ মে একই পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ‘৭৫ লাখের নিচে ইজ্জত থাকে না তার’ শিরোনামে আরও একটি প্রতিবেদন।

প্রতিবেদনগুলোতে জেলা পরিষদের জমি ইজারা, বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং অর্থনৈতিক লেনদেন নিয়ে অভিযোগ তুলে ধরা হয়। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে প্রয়োজন তদন্ত ও নথিপত্র যাচাই।

 

এরপর ১৯ আগস্ট নজরুল ইসলামের বদলি হয়। এবার তার সময়ে জেলা পরিষদে সংঘটিত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্তে নেমেছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়।

 

বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা পরিষদ কার্যালয়ে চলে তদন্ত কার্যক্রম।

তদন্ত পরিচালনা করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আজমুল হক এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোছা. সেলিনা বানু।

তদন্তের সময় জেলা পরিষদের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলামকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

 

এর মধ্যে ছিল নিয়মবহির্ভূতভাবে জেলা পরিষদের এফডিআর ভেঙে ফেলা এবং শ্রীপুরের বরমী-বরামা খেয়াঘাটের ইজারায় অনিয়মের অভিযোগ।

এছাড়া জেলা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কাজ বাইরের লোকজন দিয়ে করানো এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের অভিযোগ নিয়েও প্রশ্ন করা হয়।

 

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করেন। একই সঙ্গে অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যও গ্রহণ করা হয়।

 

এসময় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আজমুল হক বলেন, এফডিআর ভেঙে ফেলা ও বরমী-বরামা খেয়াঘাটের ইজারায় অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলোকে প্রমাণিত অনিয়ম হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।

গাজীপুর জেলা পরিষদে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে, এখন সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের।